ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে ইমাম ও খতিবদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ‘জাতীয় ইমাম ও খতীব সংস্থা বাংলাদেশ’-এর কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য ও বাগেরহাট জেলা আহ্বায়ক প্রিন্সিপাল মাওলানা মানফুজুর রহমান।
তিনি বলেন, মসজিদের মিম্বার শুধু নামাজ ও ধর্মীয় শিক্ষার স্থান নয়; এটি হেদায়েত, নৈতিকতা ও সমাজ সংস্কারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ইমাম ও খতিবরা সমাজের মানুষের মাঝে ন্যায়, সততা, মানবিকতা ও পারস্পরিক সম্প্রীতির শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে বাগেরহাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ‘জাতীয় ইমাম ও খতীব সংস্থা বাংলাদেশ’-এর বাগেরহাট সদর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠন ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘ইনসাফভিত্তিক সমাজ, ইমাম-খতিবদের অঙ্গীকার’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এ সভার আয়োজন করা হয়।
প্রিন্সিপাল মাওলানা মানফুজুর রহমান বলেন, বিগত সরকারের আমলে ইমাম ও খতিবদের নামে প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন সংগঠনে ব্যাপক অনিয়ম ও লুটপাট হয়েছে। সাধারণ আলেম-ওলামা ও ইমামদের কল্যাণ নিশ্চিত করার পরিবর্তে একটি সুবিধাবাদী গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থসিদ্ধিতে ব্যস্ত ছিল। এর ফলে ইমাম ও খতিবদের পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “মসজিদের মিম্বার হলো হেদায়েত ও সমাজ সংস্কারের মূল কেন্দ্রবিন্দু। অতীতে ইমামদের পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার হরণ করা হয়েছিল। সেই অন্যায় ও নৈরাজ্যের অবসান ঘটিয়ে এখন সময় এসেছে আলেম সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার। সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এবং সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় জাতীয় ইমাম ও খতীব সংস্থা সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সোচ্চার ভূমিকা পালন করবে।”