এইচ এম হাছনাইন, বিশেষ প্রতিনিধি
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমদ বলেছেন, শ্রমিককে কেন্দ্র করে রাজনীতির ইতিহাস বহু পুরোনো। বিশ্বের অনেকগুলো সফল বিপ্লবও সাধিত হয়েছে শ্রমিক রাজনীতির ওপরে ভিত্তি করে। বাংলাদেশেও শ্রমিক রাজনীতির ইতিহাস অনেক সমৃদ্ধ। কিন্তু শ্রমিকের ভাগ্যের কথা চিন্তা করলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়েছে। কারণ শ্রমিককে ব্যবহার করা হয়েছে। ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনকে শ্রমিক রাজনীতির এই ধারা রোধ করতে হবে এবং সত্যিকার অর্থেই শ্রমিকবান্ধব রাজনীতি গড়ে তুলতে হবে।
৯ মে ২০২৬, শনিবার বিকালে ৫৫/বি পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাথে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমদ এসব কথা বলেন।
মতবিনিময় সভায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, প্রচলিত শ্রমিক রাজনীতিতে মালিক-শ্রমিকের সম্পর্ককে বিরোধার্থক করে হাজির করা হয়েছে। যেখানে মালিক ও শ্রমিকের সম্পর্ক পরস্পর সাংঘর্ষিক ও দ্বন্দ্বমূখর। মালিক পক্ষের দিক থেকে শ্রমিক রাজনীতি মানেই উৎপাদনশীলতায় ঘাটতি ও নৈরাজ্য আর শ্রমিকদের দিক থেকে শ্রমিক রাজনীতি মানেই মালিক পক্ষের সাথে সংঘাত। আমরা এই অপরাজনীতির অবসান চাই। ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন মনে করে, শ্রমিক রাজনীতি হলো মালিক ও শ্রমিকের পারস্পরিক বোঝাপড়ায় উভয়ের স্বার্থ নিশ্চিত করার রাজনীতি। এই কল্যাণময় রাজনীতিতে শ্রমের প্রতিটিখাতে ছড়িয়ে দিতে হবে।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, সহকারী মহাসচিব কে এম আতিকুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরি, কৃষি ও শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাজী আব্দুর রহমান, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা খলিলুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল কে এম বিল্লাল হোসেনসহ শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।