সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে আকস্মিক সরেজমিন পরিদর্শনে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মুগদা ক্যাম্পাসে যান অভিভাবকদের স্বার্থরক্ষাকারী সংগঠন অভিভাবক ঐক্য ফোরাম এর সভাপতি এবং আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ অভিভাবক ফোরাম এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অন্যতম দাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: জিয়াউল কবির দুলু এবং মুগদা শাখা অভিভাবক ফোরাম এর আহবায়ক আ স ম আলমগীর। হঠাৎ গিয়ে নেতৃদ্বয় আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বর্তমানে মুগদা ক্যাম্পাসের বাংলা মাধ্যমের ( প্রভাতি) সহকারী প্রধান শিক্ষক ইমাম হোসেন ও মুগদা শাখার ইংরেজি ভার্সন ( প্রভাতি) সহকারী প্রধান শিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলাম এর সাথে শিক্ষার মান, শ্রেণিকক্ষে পাঠদান পদ্ধতি, শিক্ষার্থীর উপস্থিতি, কোচিং নির্ভরশীলতা, সিলেবাস যথাযথ সময়ে সম্পন্ন করা, শ্রেণিকক্ষের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, শিক্ষার্থী শিক্ষক আনুপাতিক হার, ডেঙ্গু প্রতিরোধে পদক্ষেপ, টয়লেট ও বাথরুমের দুর্গন্ধ মুক্ত করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করার একপর্যায়ে অভিভাবক নেতৃদ্বয়সহ সহকারী প্রধান শিক্ষকদেরকে সাথে নিয়ে সরেজমিন ক্লাসরুম, টয়লেট বাথরুম, আঙিনা, সিড়ি, স্কুল মাঠ, স্কুলের আন্ডারগ্রাউন্ডে পরিত্যক্ত কোটি টাকার অডিটোরিয়াম, পুর্বপাশের ভবনটিতে রৌদ্রের প্রখর তাপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাকরন এবং স্কুলের প্রবেশদ্বারে সিড়িতে সন্মানিত অভিভাবিকাদের বিশ্রাম করার করুন অবস্থা দৃশ্যমান হয়েছে। এ সব অব্যবস্থাপনার বিষয়টি দ্রুত সমাধানের জন্য অধ্যক্ষ মহোদয় এবং গভর্নিং বডির সভাপতি মহোদয়কে অবহিত করা হবে। সরেজমিনে প্রতীয়মান হয়েছে টয়লেট ও বাথরুমের দুর্গন্ধ মুক্ত আগের চেয়ে অনেকটা করা হয়েছে। পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা মোটামুটি। সূর্যের প্রখর তাপমাএা থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষার ব্যবস্থা নিতে হবে এবং মহিলা অভিভাবকদের বিশ্রামঘারের ব্যবস্থা করতে হবে। স্কুল চলাকালীন মাঠের মধ্যে কোন রকম খেলাধূলা বা ফিজিক্যাল এক্সারসাইজ করানো যাবে না। তাতে অন্যান্য শিক্ষার্থীর শিক্ষা মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটে। আন্ডারগ্রাউন্ডে অবিবেচকের মতো অডিটোরিয়াম নির্মানে স্কুল ফান্ডের কোটি কোটি টাকা অপচয়ে নেতৃদ্বয় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কোন শিক্ষার্থী কোন শ্রেনিতে যাতে ফেল না করে সেজন্য আন্তরিকতার সাথে শ্রেনীতে পাঠদান নিশ্চিত করা এবং কোনক্রমেই ফেল করা শিক্ষার্থীকে কোন তদবিরে উপরের শ্রেনিতে প্রোমোশন না দেয়ার অনুরোধ জানান। এস এস সি পরীক্ষায় ফলাফলে শতভাগ পাস করানোর জন্য এখন থেকেই স্কুল কর্তৃপক্ষকে পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ জানান। প্রয়োজনে এক ক্যাম্পাস থেকে আরেক ক্যাম্পাস নীতিমালা করে শিক্ষক বদলির ব্যবস্থা করার তাগিদ দেন অভিভাবক নেতৃদ্বয়।