পটুয়াখালীর বাউফলে অন্যের ঘরের ভিতর শুইতে গিয়ে সেই ঘরের মাচার লাকড়ি পড়ে গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের খাজুরবাড়িয়া ৩ নং ওয়ার্ডের সোনাবরু নামক স্থান সংলগ্ন সরদার বাড়ি। নিহত ওই গৃহবধূর নাম চাম্পা বেগম (৪০), তার স্বামীর নাম মীর হোসেন সরদার। তার ২ ছেলে রয়েছে। তারা সাবালক।

সরেজমিনে জানা গেছে, ওই গৃহবধূ চাম্পা বেগম তার ঘরের পাশে খালা শ্বাশুড়ির ঘরে গিয়ে ঘরের মাঝে চৌকিতে গিয়ে শুইয়ে পড়ে। ঘরে থাকা খালা শ্বাশুড়ি ঘরের বাইরের কাজে ব্যস্ত ছিলেন ওই সময়। এমন সময় ঘরের মাচায় ৪০/৫০ মণের মতো লাকড়ি থাকায় হঠাৎ সেই মাচা লাকড়ি সহ ভেঙে পড়ে শুইয়ে থাকা ওই গৃহবধূর ওপর। ততক্ষণাত খালা শ্বাশুড়ি সহ বাড়ির লোকজনের ডাকচিৎকারে স্থানীয়রা এসে লাকড়ি সরিয়ে দ্রুত বাউফল সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্বামী মীর হোসেন সরদার বলেন, আমি প্রতিদিনের ন্যায় সকাল আটটার আগেই বাউফলে চলে গেছি কাজের জন্য। হঠাৎ শুনতে পাই এমন ঘটনা। সাথে সাথে হাসপাতালে গিয়ে শুনি আমার স্ত্রী আর নাই।

খালা শ্বাশুড়ি বলেন, আমি ওই সময় ঘরে ছিলাম না। আমি ঘরের বাইরে বাড়ির মধ্যেই ছাগল তাড়ানোর জন্য ছিলাম। এমন সময় কে যেন আমাকে বলছে ‘তোমার ঘর ভেঙে পড়ে’। সাথে সাথে দৌড়ে এসে দেখি আমার ঘরের মাচার ওপর থাকা লাকড়ি গুলো মাচা ভেঙে ওই বউয়ের ওপর পড়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম আনিচ বলেন, বিষয়টি শুনেই আমি তাড়াতাড়ি নিহতের বাড়ি এসে খোঁজ খবর নিয়েছি। তবে মৃত্যুটা মর্মান্তিক

এম জাফরান হারুন:: পটুয়াখালীর বাউফলে অন্যের ঘরের ভিতর শুইতে গিয়ে সেই ঘরের মাচার লাকড়ি পড়ে গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের খাজুরবাড়িয়া ৩ নং ওয়ার্ডের সোনাবরু নামক স্থান সংলগ্ন সরদার বাড়ি। নিহত ওই গৃহবধূর নাম চাম্পা বেগম (৪০), তার স্বামীর নাম মীর হোসেন সরদার। তার ২ ছেলে রয়েছে। তারা সাবালক।

সরেজমিনে জানা গেছে, ওই গৃহবধূ চাম্পা বেগম তার ঘরের পাশে খালা শ্বাশুড়ির ঘরে গিয়ে ঘরের মাঝে চৌকিতে গিয়ে শুইয়ে পড়ে। ঘরে থাকা খালা শ্বাশুড়ি ঘরের বাইরের কাজে ব্যস্ত ছিলেন ওই সময়। এমন সময় ঘরের মাচায় ৪০/৫০ মণের মতো লাকড়ি থাকায় হঠাৎ সেই মাচা লাকড়ি সহ ভেঙে পড়ে শুইয়ে থাকা ওই গৃহবধূর ওপর। ততক্ষণাত খালা শ্বাশুড়ি সহ বাড়ির লোকজনের ডাকচিৎকারে স্থানীয়রা এসে লাকড়ি সরিয়ে দ্রুত বাউফল সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্বামী মীর হোসেন সরদার বলেন, আমি প্রতিদিনের ন্যায় সকাল আটটার আগেই বাউফলে চলে গেছি কাজের জন্য। হঠাৎ শুনতে পাই এমন ঘটনা। সাথে সাথে হাসপাতালে গিয়ে শুনি আমার স্ত্রী আর নাই।

খালা শ্বাশুড়ি বলেন, আমি ওই সময় ঘরে ছিলাম না। আমি ঘরের বাইরে বাড়ির মধ্যেই ছাগল তাড়ানোর জন্য ছিলাম। এমন সময় কে যেন আমাকে বলছে ‘তোমার ঘর ভেঙে পড়ে’। সাথে সাথে দৌড়ে এসে দেখি আমার ঘরের মাচার ওপর থাকা লাকড়ি গুলো মাচা ভেঙে ওই বউয়ের ওপর পড়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম আনিচ বলেন, বিষয়টি শুনেই আমি তাড়াতাড়ি নিহতের বাড়ি এসে খোঁজ খবর নিয়েছি। তবে মৃত্যুটা মর্মান্তিক