ঢাকাSaturday , 16 May 2026
  1. @লিড
  2. *খুলনা বিভাগ
  3. *ঢাকা বিভাগ
  4. অপরাধ
  5. অর্থনীতি
  6. আইন-আদালত
  7. আজকের-সর্বশেষ
  8. আন্তর্জাতিক
  9. কলাম
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খেলাধুলা
  12. গণমাধ্যম
  13. চট্টগ্রাম বিভাগ
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গাজীপুরের চান্দনায় ট্রাফিকের চাঁদাবাজি-অভিযোগের তীর ট্রাফিক এটিএসআই সিদ্দিকের দিকে

Link Copied!

১৩৮

মো. আব্দুল ওয়াহাব রিংকো,সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার

গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তার ব্যস্ততম এলাকার ১৯শে টাওয়ারের নিচে আইনের পোশাক ব্যবহার করে প্রকাশ্যে দাপিয়ে চালাচ্ছে অবৈধ চাঁদাবাজির ব্যবসা। যার নেপত্যে রয়েছে ট্রাফিক টিএসআই সিদ্দিক।
ট্রাফিকের দুয়েকজন অসাধু সদস্যের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে চাঁদা আদায়, চালকদেরকে ভয়ভীতি প্রদশর্ন করা এবং চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে চালকদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার হুমকিসহ বিভিন্ন ভয়ভীতির গুরুতর অভিযোগের তথ্যসহ প্রমাণ রয়েছে। এ সকল অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ট্রাফিক বিভাগের টিএসআই সিদ্দিক।
স্থানীয় পরিবহন চালক, হেলপার ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, সড়কে গাড়ি থামিয়ে নিয়মিতভাবে ১০০ থেকে ২০০ টাকা চাঁদা আদায় করার জন্য এটিএসআই সিদ্দিকের নেতৃত্বে তৈরী করা হয়েছে একটি সিন্ডিকেট। সিন্ডিকেটের এক সদস্য মোঃ সানোয়ার মিয়া প্রকাশ্যে গাড়ি থেকে টাকা তোলার ভিডিওসহ অন্যান্য অপকর্মের কথা স্বীকার করেছে।
সানোয়ার মিয়া নিজেই বলেছে, “ট্রাফিক পুলিশের নির্দেশ ছাড়া আমরা কি কোনদিন গাড়ি থেকে টাকা তুলতে পারি? প্রশাসনের লোকজনই আমাদেরকে ডেকে এনে এই কাজ করায়।” তার এই বক্তব্যে ট্রাফিক বিভাগে ভয়াবহ প্রশ্নবিদ্ধের জাল তৈরি করেছে। আরও অভিযোগ রয়েছে, গাড়ির কাগজপত্রে সামান্য ত্রুটি পেলেই চালকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বলা হয়, “খরচ দেন, না হলে মামলার কপি নেন”। মামলা আতঙ্কে অসহায় চালকদের কাছ থেকে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। গাড়ীর কাগজের ত্রুটির কারণে মামলা না দিয়ে অবৈধ অর্থ গ্রহণ করে একদিকে লাভবান হচ্ছে কিছু অসাধু অফিসার ও সাথে থাকা দালাল চক্র, অন্যদিকে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।
চালকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলে, “রাস্তাগুলো ট্রাফিকের নিয়ন্ত্রণে থাকা চাঁদা উঠানোর টোলপ্লাজা! চাঁদা না দিলে রাস্তায় গাড়ীর চাকা ঘুরবে না”। জনমনে প্রশ্ন—যাদের দায়িত্বে সড়কে নিয়ম শৃঙ্খলা আসার কথা, তারাই যদি চাঁদাবাজির নেতৃত্ব দেন, তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? চান্দনা চৌরাস্তার সড়ক আইন ট্রাফিকের নিকট অসহায় যার ফলে চাঁদাবাজির সিন্ডিকেটগুলো বেপরোয়া।
কোন সরকারি লোক যদি অবৈধ অর্থ লেনদেনের সাথে সংপৃক্ত থাকে বা কারো মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করে থাকে তাহলে ১৮৬০ সালের আইন মোতাবেক ১৬১, ১৬২, ১৬৩, ১৬৪ ও ১৭০ ধারা মামলায় তিন বৎসের সাঁজা বা তিন বৎসরের সাঁজাসহ অর্থ দন্ড হতে পারে তা ছাড়াও বিভাগীয় মামলায় চাকুরী হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে। জিএমপির ডিসি এডমিন এন্ড ফাইনান্স জানান, যদি কেউ অবৈধ অর্থ লেনদেনের সাথে সংপৃক্ত থাকে তাহলে ডিপার্টমেন্টাল পানিশমেন্ট ছাড়াও চাকুরী হারাতে পারে। দেখার বিষয়, এটিএসআই সিদ্দিকের বেলায় কি সেই সাঁজা থাকবে না কি আইনের ফাঁকফোকরে পার পেয়ে যাবে?
এলাকাবাসী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের দাবি, অবিলম্বে এটিএসআই সিদ্দিককে উক্ত এলাকা থেকে অপসারণসহ চাঁদাবাজির সাথে সংপৃক্তদেরকে বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত পূর্বক তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করে আইনের আওতায় আনা হউক।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।