ঢাকাTuesday , 18 August 2026
  1. @লিড
  2. *খুলনা বিভাগ
  3. *ঢাকা বিভাগ
  4. অপরাধ
  5. অর্থনীতি
  6. আইন-আদালত
  7. আজকের-সর্বশেষ
  8. আন্তর্জাতিক
  9. কলাম
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খেলাধুলা
  12. গণমাধ্যম
  13. চট্টগ্রাম বিভাগ
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গাজীপুরে পল্লী বিদ্যুৎ এর আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মামলার বেড়াজালে পড়ে নিঃস্ব সেলিম।

Link Copied!

২৩৭

গাজীপুরে পল্লী বিদ্যুৎ এর আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফ্যাসিস্ট সরকারের একজন নামধারী ব্যক্তি মোঃ নুরুল ইসলাম শেখ মিথ্যা মামলার বেড়াজালে ফেলে একে একে কয়েকটি মামলায় জেল হাজত খাটিয়ে নিঃশ্ব করে দিয়েছেন মোঃ সেলিম নামের এক ব্যক্তি কে। এই সকল মিথ্যা মামলার প্রতিকার চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য আবেদন করেন। নিম্নে তার আবেদনর হুবহু তুলে ধরা হয়েছে।

প্রমান ছাড়া আমাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে আসামী করে হেনস্তা, মানহানি ও আর্থিক, মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করায় ন্যায় বিচারের জন্য আবেদন।
আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী মোঃ সেলিম, পিতা মৃত-আবুল বাশার গাজীপুর এ দীর্ঘদিন যাবৎ বসবাস করিয়া আসিতেছি। নুরুল ইসলাম, পিতা মৃত- আঃ রহমান স্বত্বাধীকারী বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার রাজেন্দ্রপুর ক্যান্ট: গাজীপুর এর নামে পরপর কয়েকটি বিভিন্ন আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা হয়। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সি.পি মামলা নং ৫৫/২০ যে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন তাকে আমি চিনিনা। ৫৫/২০ মামলায় বাদিনী শুধু সেলিম নাম ব্যবহার করে স্বাক্ষীর কলামে পিতার নামের স্থানে গেদু খলিফা দেওয়া হয়েছে আমার পিতার নাম আবুল বাশার যা এনআইডি কার্ডেও আছে। এন.আই.ডি কার্ড তৈরী হয়েছে ২০০৬ সালে আর সিপি মামলা ৫৫/২০ এ শুধু আমার নাম ব্যবহার করে স্বাক্ষী বানানো হয় ২০২০ সালে আমি সিপি মামলা ৫৫/২০ এর ঘটনা ও বাদীর পরিচয় জানা থাকলে স্বাক্ষীতে সঠিক পিতার নাম ব্যবহার করতাম।

জয়দেবপুর থানার মামলা নং ৯(৩)২৪ এর বাদী নুরুল ইসলাম যেসকল মামলার আসামী হয়েছিলেন সেসব মামলার চার্জশীট ও তদন্ত প্রতিবেদনে তদন্তকারীর তদন্ত করে বাদীর স্বাক্ষী নিরপেক্ষ স্বাক্ষী ও অন্যান্য অনেক পারিপার্শ্বিক বিষয় তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেন। সেই তদন্ত প্রতিবেদনে আসামী বা স্বাক্ষী বা বাদীকে সাহায্যকারী বা প্ররোচনাকারী হিসেবে আমার নাম ছিল না। অর্থাৎ আমার ব্যাপারে কোন রিপোর্ট প্রদান হয় নাই। কিন্তু নুরুল ইসলাম শ্রীপুর থানার মামলা নং ৮৯(৯)২০ মামলা থেকে তদন্ত রিপোর্টে সত্যতা পাওয়া না যাওয়ায় মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়ে যে নারী ও শিশু আইনের ১৭ ধারায় আমাকে সহ অন্যান্যদের আসামী করে মামলা করে তা বেআইনি। নুরুল ইসলাম বাদীর নামে মামলা করতে পারে কিন্তু আমার জড়িত থাকার কারণ প্রমান না পেয়ে আমাকে আসামী করে।

তদন্ত কর্মকর্তা মামলায় পাওয়া যায়নি মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অজ্ঞাত নামাদের বিরুদ্ধে মামলা হবেনা। যেকোন আইনে মিথ্যা মামলাকারীর শাস্তি নিশ্চিত করতে হলে আদালতে পূর্ণাঙ্গ ট্রায়াল বা বিচার হতে হবে এবং সেখানে স্বাক্ষী দিতে হবে। যে তদন্তকারী কর্মকর্তা সত্য তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করলো তাকে ও আদালতে স্বাক্ষ্য প্রদান করতে হবে এবং জেরার আওতায় আনতে হবে।

আইন অনুযায়ী কোন তদন্ত রিপোর্ট বা লিখিত কাগজ নিজে নিজে কথা বলতে পারেনা। তাই সেই প্রতিবেদনটিকে সত্য প্রমান করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদালতে এসে মৌখিকভাবে স্বাক্ষ্য প্রদান করতে হবে এবং অপর পক্ষের আইনজীবীর জেরার সম্মুখীন হতে হবে। কিন্তু বাদী নুরুল ইসলাম তা না করেই অসৎ উপায় অবলম্বন করে আমার নামে যে নারী ও শিশু আইনের ১৭ ধারা ও জয়দেবপুর থানার মামলা নং ৯(৩)২৪ এ আমাকে আসামী করে আমার জীবনের শান্তি নষ্ট, মানহানি করতে আর্থিক ক্ষতি করে আসছেন।
শুধু তাই নয় নুরুল ইসলাম শেখ তার প্রতিষ্ঠানের একজন মহিলা কর্মচারী নিলুফা কে দিয়ে প্রতিপক্ষ একজনের বিরুদ্ধেও ভাঙচুর মামলা দায়ের করান। তদন্তে প্রমাণিত হয় মামলাটি মিথ্যা বিষয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ২ এর আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে। আদালতে রিপোর্ট দাখিল করেন। পরবর্তীতে নুরুল ইসলাম শেখ নারাজি দিলে আদালত আমলে নিয়ে জেলা পিবিআইকে তদন্ত করে ফাইনাল রিপোর্ট দাখিল করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করিয়া প্রশাসনের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সহযোগিতা নিয়া ২৫/৯/২০ এই মামলা আমাকে ৩ নং আসামি হিসেবে জড়িত করে ফাইনাল রিপোর্ট দেওয়ান। আমি বিনীতভাবে প্রশাসনের সাহায্য প্রার্থনা করছি পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটন করে এই ফ্যাসিস্ট নুরুল ইসলাম এর সঠিক বিচার করার জন্য।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।