ঢাকাMonday , 19 October 2026
  1. @লিড
  2. *খুলনা বিভাগ
  3. *ঢাকা বিভাগ
  4. অপরাধ
  5. অর্থনীতি
  6. আইন-আদালত
  7. আজকের-সর্বশেষ
  8. আন্তর্জাতিক
  9. কলাম
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খেলাধুলা
  12. গণমাধ্যম
  13. চট্টগ্রাম বিভাগ
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

৩০ হাজার টাকা বেতনের ভূমি কর্মকর্তার কোটি টাকার আলিশান বাড়ি

Link Copied!

৩৭

মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার কুমাড়ভোগ ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা অনিক কুমার ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে হয়েছেন কোটি কোটি টাকার মালিক। গড়েছে একটি আলিশান ডুপ্লেক্স বাড়ি। লৌহজং থেকে মাওয়া হাইওয়ে রোডের পাশে নামে বেনামে কিনেছেন কোটি টাকার জমি। তিনি বর্তমানে লৌহজং উপজেলার কুমাড়ভোগ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন। তার আয়ের সঙ্গে নজিরবিহীন বৈসাদৃশ্য রয়েছে সম্পদের।
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী একজন ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার (১১তম/১২তম গ্রেডের কর্মচারী) যে মূল বেতন ও বৈধ আয়, তা দিয়ে কোটি টাকা মূল্যের বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি নির্মাণ করা সাধারণত অসম্ভব। সাধারণত নামজারি (মিউটেশন), ভূমি অধিগ্রহণে অনিয়ম, এবং সরকারি জমি অবৈধভাবে দখল বা লিজ দেওয়ার মাধ্যমে উপার্জিত অবৈধ অর্থ দিয়ে এই ধরণের বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ ও গাড়ি কেনার অভিযোগ ওঠেছে তিনি ও তার বাহিরের নয়।
ইদানিং কালে দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মেলায় অনেক ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তাদের অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার আইনি প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে। এলাকার সচেতন মহলের ও এমনটাই দাবি এই অনিক কুমার কে আইনের আওতায় এনে তাকে বরখাস্ত সহ দৃষ্টান্ত শাস্তি ও সম্পদ বাজেয়াপ্ত করুক।

জানা যায়, ভূমি কর্মকর্তা হিসেবে চাকুরীতে যোগদান করেন অনিক কুমার। এরপর তিনি জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ভূমি দায়িত্ব পালন করে আসছে। তিনি সরকারি দপ্তরের নেমপ্লেট ব্যবহার করে অবৈধপন্থায় রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ বনে যান। তিনি মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার একজন অসহায় বাবার সন্তান। টানাটানি সংসার ছিলো তাদের। চাকরি পাওয়া পর যেন হাতে পেয়ে যান আলাদিনের চেরাগ সেই চেরাগ ঘষেই বনে গেছেন কোটি টাকার মালিক। টাকার লোভে তার ভাই ও আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে নেই কোন ভালো সম্পর্ক।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিনিয়র নায়েব বলেন, অনিক কুমার ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেছেন। তিনি বর্তমানে ৩০ হাজার বা এর চেয়ে একটু বেশি বেতন পেতে পারে। তবে এই পদে চাকরি করে ডুপ্লেক্স বাড়ি আর শহরে জায়গা কেনা সম্ভব না। তার হয়তো অন্য কোন ব্যবসা বানিজ্য থাকতে পারে। আমরা জানতে পেরেছি তার বিরুদ্ধে দুদকে ও ভূমি মন্ত্রণালয়েও অভিযোগ চলমান রয়েছে।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তিবর্গ জানান, অনিক কুমার ভূমি অফিসে চাকরি নেয়ার পর থেকে তার ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটে। রাতারাতি হয়ে যান কোটিপতি। আমরা শুনেছি অনিক কুমার নাকি ভূমি অফিসের অনেক বড় কর্মকর্তা। টাকা পয়সার মালিক হওয়ার সাথে সাথে অনিক কুমারের ব্যবহার ও বদলে যায়। তার অন্যান্য আত্মীয় স্বজনদের কোন তোয়াক্কা করেন না।
এ বিষয়ে ভূমি কর্মকর্তা অনিক কুমার বলেন, আসলেই আমি বাড়ি করেছি সত্যি কিন্তু করার পর থেকে আত্মীয় স্বজন সবাই আমার বিরুদ্ধে লেগেছে।

এ বিষয়ে লৌহজং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বলেন, তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।