ঢাকাSunday , 30 August 2026
  1. @লিড
  2. *খুলনা বিভাগ
  3. *ঢাকা বিভাগ
  4. অপরাধ
  5. অর্থনীতি
  6. আইন-আদালত
  7. আজকের-সর্বশেষ
  8. আন্তর্জাতিক
  9. কলাম
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খেলাধুলা
  12. গণমাধ্যম
  13. চট্টগ্রাম বিভাগ
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কমলনগরে সেফটিক ট্যাংকের ময়লা ফেলা নিয়ে সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ৫, ‎হামলার অভিযোগ আপন চাচা ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে, গুরুতর আহত নারী হাসপাতালে

Link Copied!

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে সেফটিক ট্যাংকের ময়লা ফেলা নিয়ে বিরোধের জেরে আপন দুই ভাইয়ের পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আপন চাচা ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দেশীয় অস্ত্র, লাঠি ও সাবল দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে।

‎শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের হাফিজ উল্লাহ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

‎আহতরা হলেন—আবুল কালাম, তার স্ত্রী আফিয়া খাতুন (৫৫), ছেলে মো. মাইন উদ্দিন সুমন (৩৭), আলী আজম (৪২) ও আরাফাত (২৮)। আহতদের মধ্যে আফিয়া খাতুনের মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। তাকে কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মাইন উদ্দিন সুমন বর্তমানে কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

‎স্থানীয় সূত্র ও আহতদের স্বজনদের অভিযোগ, আপন দুই ভাই আলী হায়দার ওসমানী ও আবুল কালামের পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার দুপুরে আলী হায়দার ওসমানী তার সেফটিক ট্যাংকের ময়লা বের করে আবুল কালামের পরিবারের ব্যবহৃত পুকুর, টিউবওয়েল ও রান্নাঘরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেন।

‎এতে পানি ও পরিবেশ দূষণের আশঙ্কায় পরিবারের সদস্যরা প্রতিবাদ জানান। একপর্যায়ে আবুল কালামের ছেলে মো. মাইন উদ্দিন সুমন বিষয়টি মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা।

‎তাদের অভিযোগ, এ সময় আলী হায়দার ওসমানী, তার ছেলে জায়েদুল ও জসিম, মেয়ে লুবনা, ছেলের বউ তাছলিমা এবং স্ত্রী আয়শা বেগমসহ কয়েকজন সুমনের ওপর হামলা চালান। তাকে রক্ষা করতে তার মা আফিয়া খাতুন এগিয়ে এলে তাকেও লাঠি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

‎এ ঘটনায় নারীসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আফিয়া খাতুনকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

‎আহত আরাফাত বলেন, “আমি একজন প্রবাসী। কিছুদিন আগে দেশে এসেছি। এই ঘটনার বিষয়ে আমি কিছুই জানতাম না। জায়েদ আমাকে ফোন করে ঘটনাস্থলে নিয়ে আসেন। সেখানে যাওয়ার পর আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। আমি প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।”

‎এ বিষয়ে অভিযুক্ত আলী হায়দার ওসমানী ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

‎কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদুল আলম বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

‎স্থানীয়দের দাবি, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে যাতে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা না ঘটে, সে জন্য দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।