ঢাকাSaturday , 8 August 2026
  1. @লিড
  2. *খুলনা বিভাগ
  3. *ঢাকা বিভাগ
  4. অপরাধ
  5. অর্থনীতি
  6. আইন-আদালত
  7. আজকের-সর্বশেষ
  8. আন্তর্জাতিক
  9. কলাম
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খেলাধুলা
  12. গণমাধ্যম
  13. চট্টগ্রাম বিভাগ
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সিলেটের কানাইঘাট থানার ওসির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ, ফেইসবুক স্ট্যাটাসে ঘটনার ব্যাখ্যা

Link Copied!

২২

কামাল খান

সিলেটের কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এর জবাবে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে দীর্ঘ বক্তব্য দিয়েছেন ওসি। সেখানে তিনি থানার বিরুদ্ধে প্রচারিত বিভিন্ন অভিযোগকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও মনগড়া’ বলে দাবি করেছেন। একই সঙ্গে চোরাচালান মামলায় গ্রেপ্তার এক আসামিকে ছাড়িয়ে নিতে থানায় তদবিরের অভিযোগও তুলেছেন তিনি।

ওসি আমিনুল ইসলামের দাবি, একটি ফেসবুক আইডি থেকে কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নামে ধারাবাহিকভাবে অপপ্রচার চালিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। অথচ কানাইঘাট থানা পুলিশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান জোরদার করেছে এবং থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ যাতে সহজে পুলিশি সেবা পান, সে লক্ষ্যে কাজ করছে।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে ওসি জানান, গত ২০ জুলাই ২০২৬ তারিখে চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৩ নম্বর দিঘীরপাড় ইউনিয়নের দর্পনগর পূর্ব গ্রামের সেবুল আহমদ ওরফে আব্দুল্লাহ (৩৫)-এর বসতবাড়ি থেকে ভারতীয় ৯৯ বোতল মবিল ও পাঁচটি এমআরএফ টায়ার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা মবিলের আনুমানিক মূল্য ৫৯ হাজার ৪০০ টাকা এবং টায়ারের মূল্য ১৫ হাজার টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় সেবুল আহমদ ওরফে আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে কানাইঘাট থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হলে জিজ্ঞাসাবাদে চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেন ওসি।

আসামি ছাড়াতে থানায় ‘তদবিরের’ অভিযোগ
ওসি আমিনুল ইসলামের স্ট্যাটাসে মূলত আলোচনার জন্ম দিয়েছে সাজু চৌধুরী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে করা অভিযোগ।

স্ট্যাটাসে বলা হয়, গ্রেপ্তার সেবুল থানাহাজতে থাকা অবস্থায় ৩ নম্বর দিঘীরপাড় ইউনিয়নের দর্পনগরের সাজু চৌধুরী কয়েকজন লোকসহ রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে কানাইঘাট থানায় আসেন। তিনি চোরাচালান মামলায় গ্রেপ্তার আসামিকে ছাড়িয়ে নেওয়ার জন্য তদবির শুরু করেন এবং প্রায় তিন ঘণ্টা থানায় অবস্থান করেন বলে দাবি করেন ওসি।

ওসি আরও অভিযোগ করেন, বিষয়টি তাকে বুঝিয়ে বলার পরও সাজু চৌধুরী তার সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন। এর আগেও তার এলাকায় মাদক ও চোরাচালান মামলায় কেউ গ্রেপ্তার হলে সাজু চৌধুরী আসামিদের পক্ষে তদবির করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেছেন বলে স্ট্যাটাসে দাবি করা হয়েছে।

‘তদবির না শোনায় অপপ্রচার’
ওসি আমিনুল ইসলামের দাবি, সাজু চৌধুরীর কথিত তদবির না শোনার কারণেই তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মিথ্যা, বানোয়াট ও মনগড়া তথ্য প্রচার করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, এ ধরনের তদবিরবাজদের কারণে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী পুলিশের অভিযান বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তাই কোনো তদবিরবাজ বা দালালের কথায় বিভ্রান্ত না হয়ে আইনগত কোনো সমস্যা হলে সরাসরি থানায় এসে অভিযোগ করার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

একই সঙ্গে কানাইঘাটের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা কামনা করেছেন ওসি মো. আমিনুল ইসলাম।

তবে ওসি আমিনুল ইসলামের ফেসবুক স্ট্যাটাসে সাজু চৌধুরীর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করাও সম্ভব হয়নি। অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।