মোঃ বেল্লাল হোসাইন নাঈম, স্টাফ রিপোর্টার
নোয়াখালীর চাটখিল পৌরসভার ছয়ানী টবগা 6গ্রামের গৃহবধূ পরকিয়া প্রেমিকের হাত ধরে মেয়ে শিশুকে তার নানীর কাছে রেখে পালিয়ে গেছে বলে থানায় জিডি করেন স্বামী সোহেল রানা।
বুধবার (২৭মে) চাটখিল থানার ওসি আব্দুল মোন্নাফ সাধারণ ডায়রির সত্যতা নিশ্চিত করেন। গত মঙ্গলবার (১৯মে) চাটখিল থানায় সাধারণ ডায়রি করেন রুবি আক্তারের স্বামী সোহেল রানা বলেন গত বৃহস্পতিবার (৭মে) দুপুরে চাটখিল থানার পরকোট ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড তপদার বাড়ি থেকে পরকিয়া প্রেমিকের সাথে পালিয়ে যায়। সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুঁজি করে এখন পর্যন্ত কোনো সন্ধান পাইনি। তাই ১৯ মে মঙ্গলবার চাটখিল থানায় সাধারণ ডায়রি করি।
রুবি আক্তারের বাবার বাড়ি পরকোট তপদার বাড়িতে তার মায়ের কাছে একমাত্র মেয়েকে রেখে পরকিয়া প্রেমিক নশুর হাত ধরে পালিয়ে যায়।
পরকিয়া প্রেমিক নশুর ঘরে স্ত্রী ও ২টি অসহায় মেয়ে সন্তান রয়েছে।
পরকিয়া প্রেমিকের নাম নশু পিতা মৃত শহীদ উল্লাহ, গ্রাম-পশ্চিম
পরকোট (ছৈয়াল বাড়ী), চাটখিল, নোয়াখালী।
স্ত্রীর নাম রুবি আক্তার, পিতা আনোয়ার হোসেন, মাতা শিল্পী আক্তার, গ্রাম পরকোট (দীঘির পাড়ের তপদার বাড়ি), চাটখিল, নোয়াখালী।
সোহেল রানা বলেন আমার স্ত্রী
রুবি আক্তার সাথে ২০১৭ সালে পারিবারিকভাবে দেখাশোনার পর আমরা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। দীর্ঘদিন ঘর সংসার করার পর তাদের কলজুড়ে একটি কন্যা সন্তান জন্ম হয়।
রুবির স্বামী সোহেল রানা সাংবাদিকদেরকে জানান, বিয়ের কিছুদিন পর থেকে তার স্ত্রী তার সাথে খারাপ আচরণ করে তাকে না জানিয়ে তার বাপের বাড়ি চলে যায়। তাকে আনতে গেলে সে তার সাথে আসতে চায় না রুবির স্বামী অতিষ্ঠ হয়ে রুবির বাবা-মা ও আত্মীয় স্বজনসহ একাধিকবার সালিশ বৈঠক হয়। তার স্বামী সোহেল রানা আরো জানান রুবি প্রায় বাড়িতে মেয়ে রেখে তাকে এবং তার মা-বাবাকে না জানিয়ে বাড়ি থেকে বাহির হইয়া যাইত সন্ধ্যার পর বাড়ি আসতো। আমি ব্যবসার কারণে বাজারে থাকলে এই সুযোগে মোবাইলে দীর্ঘ টাইম কথা বলতো, আমি জিজ্ঞেস করলে বলতো তার আত্মীয়-স্বজনের সাথে কথা বলেতেছে। আমি গত ৬ তারিখে আমার স্ত্রী রবি বেগম আমার ঘরের বিভিন্ন মালামাল ও তাকে দেওয়া স্বর্ণালংকার নগদ টাকা সহ তার বাবার বাড়িতে চলে যায় । বিশ্বস্ত সূত্রে
জানতে পারলাম আমার স্ত্রী রুবি আক্তার তাদের বাড়ির পাশে ছৈয়াল বাড়ি দুশ্চরিত্র লম্পট দুই কন্যা সন্তানের বাবা তার সাথে পরকীয়া আসক্ত হয়েছে।
রুবি বাবার বাড়ি হতে (৭মে) সেখান থেকে আমার একমাত্র মেয়েকে তার মায়ের (শাশুড়ি) কাছে রেখে পরকিয়া প্রেমিক নশুর হাত ধরে পালিয়ে যায়।
পরকিয়া প্রেমিক নশুর ঘরে স্ত্রী ও ২টি অসহায় মেয়ে সন্তান রয়েছে।
চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মোন্নাফ জিডির সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি আরো বলেন রুবি আক্তারকে উদ্ধারের সম্ভাব্য সকল স্থানে তল্লাশি চালানো হয়েছে।
অতিশীঘ্রই রুবি আক্তার কে উদ্ধার করতে পারবো বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।


