ঢাকাFriday , 8 May 2026
  1. @লিড
  2. *খুলনা বিভাগ
  3. *ঢাকা বিভাগ
  4. অপরাধ
  5. অর্থনীতি
  6. আইন-আদালত
  7. আজকের-সর্বশেষ
  8. আন্তর্জাতিক
  9. কলাম
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খেলাধুলা
  12. গণমাধ্যম
  13. চট্টগ্রাম বিভাগ
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাউফলে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের তান্ডব, থানায় ও পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ

Link Copied!

১৮২

এম জাফরান হারুন:: পটুয়াখালীর বাউফল পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের দাসপাড়া এলাকায় আদালতের স্থিতাবস্থা (নিষেধাজ্ঞা) অমান্য করে জমি দখলে মরিয়া চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী বাদী পক্ষের ক্রয়কৃত ও ভোগদখলীয় জমি বিবাদী প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চালালে ও বিভিন্ন গাছপালা বিনষ্টে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী পক্ষ পুলিশ সুপার এবং বাউফল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বাউফল পৌরশহরের ৭নং ওয়ার্ডের দাসপাড়া এলাকায়। এব্যাপারে পক্ষের ভুক্তভোগীদের মধ্যে মোঃ আতিকুর রহমান ওরফে কামরুজ্জামান জানান- মৌজা দাসপাড়া, জে এল নং-১২৩, এস এ খতিয়ান-৭৩৩, ৭৩৪, ৮৩৭, নামজারী খতিয়ান ১০০৭, ১১০০, অন্যান্য। ভোগ দখলীয় দাগ নং- ১৪৪, ১৮৯, ১৯৬, ২০৭, ২০৬ মোট ক্রয়কৃত জমির পরিমান= প্রায় ৭৪ শতাংশ। উক্ত জমি ১৯৮৭ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন তারিখে খতিয়ানের রেকডিও মালিকদের কাছ থেকে জমি ক্রয় করা হয়। যাহার দাতা গন- ১। রফিকুল ইসলাম (শাহজাহান), পিতা মৃত্যু সিদ্দিক আহম্মেদ মুন্সী, ২। শফিকুল ইসলাম (বর্তমানে মৃত), পিতা মৃত্যু ইউনুচ মুন্সী, ৩। শহিদুল ইসলাম, পিতা মৃত্যু ইউনুচ মুন্সী, ৪। আসাদুল ইসলাম, পিতা মৃত্যু ইউনুচ মুন্সী, ৫। গোল বানু, ৬। ফোরকান মুন্সী, পিতা মৃত্যু শফিকুল ইসলাম, ৭। আজিজ মুন্সী, পিতা মৃত্যু শফিকুল ইসলাম, ৮। সোনাভানু, স্বামী মৃত্যু শফিকুল ইসলাম, ৯। সুরমা, পিতা মৃত্যু শফিকুল ইসলাম, ১০। রাশিদা, হামিদা, মইফুলজান, হাসিনা সর্ব পিতা মৃত্যু ইউনুচ মুন্সী ও অন্যান্য দাতা আছে।

দাতা গন জমি ক্রয়ের পর গ্রহিতা আমাদের জমির দখল সরজমিনে বুঝিয়ে দেন। আমরা জমি গ্রহিতা আমার পিতা মোঃ মোসলেম আলী খান, পিতা মৃত্যু সাহেব আলী খান, মোঃ আতিকুর রহমান (কামরুজ্জামান), পিতা মোঃ মোসলেম আলী খান সহ অন্যান্য জমি গ্রহিতা জমিতে গাছপালা লাগিয়ে পুকুর কেটে, ঘর-বাড়ী করে ভোগ দখলে শান্তিপূর্ন ভাবে বিদ্যমান আছি।

পরবর্তীতে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দাতাদের সাথে শালিসী বৈঠক হলে শালিসী গন সিমানা পিলার দিয়ে পুনরায় বুঝিয়ে দেন। পরবর্তীতে দাতার আবার একটা শালিসী বৈঠক করে সিমানা পিলার দিয়ে দেন। আমরা সেই অনুযায়ী শান্তিপূর্ন ভাবে ভোগ দখলে আছি। ঘটনা ক্রমে ২২১/১৬ দেওয়ানী সংশোধনী মামলা করি। যাহা পটুয়াখালী বিজ্ঞ আদালতে চলমান আছে।

হঠাৎ একদিন দাতারা আমার জমি দখল করতে আসে এবং আমরা বাধা দিলে চলে যায়। উক্ত বিষয়ে আমরা সহকারী জজকোট পটুয়াখালী দেওয়ারী ১৩৬/২২ মামলা করি এবং আদালত স্থিতিঅবস্থার আদেশ জারী করেন যাহা বর্তমান পর্যন্ত বলবদ আছে। যাহার দেওয়ানী ১৩৬/২২ মামলার বিবাদী গন- ১। আযাদ মুন্সী, পিতা মৃত্যু সিদ্দিক আহম্মেদ মুন্সী, ২। রফিকুল ইসলাম (শাহজাহান), পিতা মৃত্যু সিদ্দিক আহম্মেদ মুন্সী, ৩। শহিদুল ইসলাম ,পিতা মৃত্যু ইউনুচ মুন্সী, ৪। আসাদুল ইসলাম, পিতা মৃত্যু ইউনুচ মুন্সী, ৫। ফোরকান মুন্সী, পিতা মৃত্যু শফিকুল ইসলাম, ৬। আজিজ মুন্সী, পিতা মৃত্যু শফিকুল ইসলাম, ৭। সোনাভানু, স্বামী মৃত্যু শফিকুল ইসলাম, ৮। সুরমা, পিতা মৃত্যু শফিকুল ইসলাম, ৯। রাশিদা, হামিদা, মইফুলজান, হাসিনা সর্ব পিতা মৃত্যু ইউনুচ মুন্সী, ১০। আনোয়ার হোসেন. পিতা আবজাল হোসেন, সর্ব সাং দাসপাড়া, ৭ নং ওয়ার্ড,ইউনিয়ন দাসাপাড়া, থানা বাউফল, জেলা পটুয়াখালী।

বিাদীরা উক্ত বিষয়ে কোর্টে কোন জবাব দেন না। হাজিরও হন না। বিবাদীরা আমাদের বিভিন্ন সময় জমি দখলের হুমকী, ক্ষয়ক্ষতির হুমকী দিয়ে আসছেন। যা গত ১৭/০৪/২৬ ইং তারিখ দেওয়ানী ১৩৬/২২ মামলার বিবাদীদের মধ্যে মোবাইল ফোনে (ইসলাম আযাদ, শহিদুল ইসলাম) আমাদের জমি মাপজোপ করবে ও জমি দখলের হুমকী দেয়। আমি তাদের জানাই জমি সংক্রান্ত বিষয়ে আদালতে মামলা ও নিষেধাজ্ঞা বলবদ আছে। তারা বলে আদালতে ১০টি মামলা ও নিষেধাজ্ঞা থাকলেও কিছু যায় আসে না। এবার দেইখেন কি করি।

গত ১৯/০৪/২০২৬ ইং তারিখ সকাল আনুমানিক ১০-১১ ঘটিকায় দেওয়ানী ১৩৬/২২ মামলার বিবাদী শহিদুল ইসলাম, পিতা মৃত্যু ইউনুচ মুন্সী, আযাদ মুন্সী, পিতা মৃত্যু সিদ্দিক আহম্মেদ মুন্সী, আনোয়ার হোসেন, পিতা আবজাল হোসেন ও খালেক মুহুরীর নেতৃত্বে দলবল সহ সহযোগীদের নিয়ে দেশীয় অস্ত্র সহ আমার জমিতে জোর পূর্বক প্রবেশ করে জমি দখলের চেষ্ঠা চালায়, পিলার স্থাপন করে, স্থাপিত পিলার ভাঙ্গে, এবং বালু ভরাট করার চেষ্টা করে তছনছ করে। আমার বোন ও মা সহ অন্যান্যরা বাধা দেয় ও ঘটনার আশিংক ভিডিও রেকর্ড করে।

এদিকে স্থানীয় মিজান খোকন কে বিবাদীরা নিষেধাজ্ঞার তথ্য গোপন করে স্পটে নিয়ে আসে। আমি ঢাকা থাকায় তার সাথে আমার বোনের ফোন দিয়ে কথা বলি। তাকে দেওয়ানী ১৩৬/২২ মামলা ও আদালতের স্থিতিঅবস্থার আদেশ জারী তথ্য জানাই ও তার মোবাইলে কপি প্রেরন করি। তখন তিনি বলেন এখানে কোন মাপজোপ হবে না, স্থিতিঅবস্থার আদেশ জারী এখানে কেন তোমরা আমাকে নিয়ে আসছো? সব বন্ধ থাকবে। বলে তিনি চলে যান। কিন্তু বিবাদীরা তা অমান্য করে আমার জমিতে জোর পূর্বক পিলার দেয় ও পুরাতন পিলার ভেঙ্গে ফেলে, গাছপালা কেটে ফেলে বিনষ্ট করেন, গাছের ফলন্ত আম, ডোবার মাছ ধরে নিয়ে যান আমাদের গালিগালাজ করে ও ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন ও পরে বাধার মুখে চলে যায়।

এদিকে ওইদিন দুপুরের দিকে থানা থেকে এসআই আলামিন ভাই আমাকে জানায় আমাদের বিরুদ্ধে ইসলাম আযাদ অভিযোগ দিয়েছেন। আমি উক্ত ঘটনাটি আমার আইনজীবিকে জানাই। ঘটনার বিষয়ে আমি বাউফল থানায় ঘটনার আংশিক ভিডিও থেকে স্থির চিত্র সহ অভিযোগ (৯৩৩/২৬) তাং ২৪/০৪/২৬ এবং পুলিশ সুপার পটুয়াখালী, তারিখ ২৫/০৪/২৬ ইং অভিযোগ দাখিল করি। আমি আমরা বিচার চাই।

এব্যাপারে প্রতিপক্ষের বিবাদীদের মধ্যে আনোয়ার হোসেন বলেন- আমার অনেক আগে ওই জমিটা কবলা করেছি। তাই আমাদের জমিতে ভোগদখলে গেলে আতিকুর রহমান ওরফে কামরুজ্জামান গংরা বিভিন্ন বাধা বিপত্তি করে এবং পটুয়াখালী কোর্টে গিয়ে মিথ্যা বানোয়াট সাজানো মামলা দিয়ে আমাদের হয়রানি করে। যাহার দরুন বাউফল থানায় অভিযোগ দিয়েছি। আমরা এর সুষ্ঠু নিরপেক্ষ বিচার চাই।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।