মোঃ জালাল হোসেন,মান্দা (নওগাঁ): মান্দার সাধারণ মানুষের মুখে আজ একটাই ভরসার নাম— ডা. ইকরামুল বারী টিপু।
রাজনীতি, মানবসেবা ও চিকিৎসা—তিন ক্ষেত্রেই তাঁর সমান অঙ্গীকার, সমান নিবেদন। যেন একজন মানুষের শরীরের ভেতরে লুকিয়ে আছে হাজার মানুষের পরিশ্রম, আর হৃদয়ে ধারণ করেন লাখো মানুষের ভালোবাসা।
ভোরের আলো ফুটতেই আজানের ধ্বনির সাথে সাথেই দিনের শুরু। ফজরের নামাজে সিজদায় পড়ে মানুষের সুখ-দুঃখের জন্য দোয়া করা যেন তাঁর নিত্যদিনের অভ্যাস। নামাজ শেষে অল্প হাঁটা—এ যেন নিজেকে প্রস্তুত করা একটি দীর্ঘ মানবিক দিনের জন্য।
এরপর থেকেই শুরু হয় টিপু ভাইয়ের অদম্য ছুটে চলা।
মান্দার কোথায় জানাজা, কোথায় দুর্ঘটনা, কোন বাড়িতে অসুস্থ মানুষ চিকিৎসার অপেক্ষায়—এসব খবর নিজেই রাখেন তিনি। যেন পুরো মান্দাই তাঁর পরিবার, আর প্রতিটি মানুষের কষ্ট তাঁর ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা।
সকাল গড়াতেই চেম্বারে রোগীর ভিড়। রোগীর কষ্ট দেখলেই তিনি আর বসে থাকতে পারেন না।
হাসপাতালে দৌড়ে গিয়ে কখনো কোনো শিশুকে অক্সিজেন দিয়ে বাঁচান, কখনো বয়স্ক রোগীর পাশে দাঁড়িয়ে আশ্বস্ত করেন পরিবারকে।
মানুষের জীবন বাঁচানো তাঁর কাছে শুধু দায়িত্ব নয়—
এটা তাঁর কাছে “ইমানি আমানত”।
দিন শেষে যখন অনেকের কাজ শেষ, তখন তাঁর কাজ যেন আরও বেড়ে যায়।
দলীয় নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নেওয়া, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার কাজ, স্থানীয় সমস্যাগুলোর সমাধান নিয়ে আলোচনার মধ্যেই কেটে যায় বিকেল ও সন্ধ্যা।
রাত্রি যখন গভীর হয়
মান্দার বেশিরভাগ মানুষ যখন ঘুমের রাজ্যে, ডা. ইকরামুল বারী টিপু তখনও জেগে থাকেন মানুষের চিন্তায় —
কোথায় কাকে সাহায্য করা প্রয়োজন, কোন পরিবার বিপদে আছে, আর কীভাবে মান্দার উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নেওয়া যায়।
মান্দায় অতীতেও অনেক নেতা ছিলেন, এখনো আছেন—
কিন্তু মানুষের মুখে শোনা যায় এক সত্য—
“টিপু ভাইয়ের মতো অক্লান্ত, পরিশ্রমী, মানবিক নেতা মান্দায় খুব কমই পাওয়া গেছে।”
তাই সাধারণ মানুষই বলে—
“ডা. ইকরামুল বারী টিপু শুধু একজন নেতা নন, তিনি মান্দার হৃদস্পন্দন।
তিনি সেই আশার আলো, যিনি মানুষের পাশে দাঁড়াতে নিজের জীবনও উৎসর্গ করতে প্রস্তুত।”


