ঢাকাSaturday , 4 July 2026
  1. @লিড
  2. *খুলনা বিভাগ
  3. *ঢাকা বিভাগ
  4. অপরাধ
  5. অর্থনীতি
  6. আইন-আদালত
  7. আজকের-সর্বশেষ
  8. আন্তর্জাতিক
  9. কলাম
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খেলাধুলা
  12. গণমাধ্যম
  13. চট্টগ্রাম বিভাগ
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভোলায় সমাজসেবার কম্পিউটার প্রশিক্ষণ তালিকা নিয়ে ক্ষোভ!

Link Copied!

৯৬

এইচ এম হাছনাইনঃ
ভোলা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজিত কম্পিউটার বেসিক প্রশিক্ষণের প্রকাশিত অংশগ্রহণকারীদের তালিকা নিয়ে জেলাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচনে ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছেন একাধিক আবেদনকারী ও স্থানীয় সচেতন মহল।

প্রকাশিত তালিকায় ২৫ জন প্রশিক্ষণার্থীর নাম রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তালিকায় অন্তর্ভুক্ত প্রায় সবাই সনাতন ধর্মাবলম্বী এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের আবেদনকারীদের বাছাই প্রক্রিয়ায় উপেক্ষা করা হয়েছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ভোলা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক রজত শুভ্র সরকারের তত্ত্বাবধানে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। অভিযোগকারীদের প্রশ্ন, সরকারি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ধর্মীয় ভারসাম্য ও যোগ্যতার বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়েছে কি না।

মীর তানু নামক একজন সচেতন নাগরিক ফেসবুকে লিখেন, ” মনে হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভগ্নিপতি যেন, ভোলা জেলা সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা হিসেবে ‘প্রাইজ পোস্টিং’ পেয়েছেন!

সম্প্রতি কম্পিউটার বেসিক ট্রেনিংয়ের অংশগ্রহণকারীদের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে প্রায় ৯০% নামই সনাতন ধর্মাবলম্বীদের। অভিযোগ উঠেছে, বেছে বেছে অনেক মুসলিম আবেদনকারীকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট জেলা সমাজকল্যাণ কর্মকর্তার নাম রজত শুভ্র সরকার, যিনি নিজেও সনাতন ধর্মাবলম্বী।

যদি নিয়োগ বা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় এনে বৈষম্য করা হয়ে থাকে, তাহলে সেটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং এর সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। সরকারি সুযোগ-সুবিধা বণ্টনে ধর্ম নয়, যোগ্যতাই একমাত্র বিবেচ্য হওয়া উচিত। ”

তার ফেসবুক পোস্টের কমেন্টে অনেকে লিখেন, বাংলাদেশী বেশিরভাগ হিন্দুদেরকে বড় বড় অফিসার পোস্টে দেওয়া হয়েছে এজন্যই হিন্দু ছাড়া কোন মুসলমান চাকরি পাচ্ছে না এই হইলো বাংলাদেশের অবস্থা।

এই লিস্ট দেখে বুঝা যাচ্ছে যে ভোলায় কোন মুসলিম নাই সব হিন্দু।

বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে উপযুক্ত বিচার নিশ্চিত করা দরকার।

স্থানীয়দের দাবি, যদি প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচনে ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় এনে কোনো ধরনের বৈষম্য করা হয়ে থাকে, তবে বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন এবং প্রয়োজনে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ সম্পর্কে জেলা প্রশাসক এবং উপপরিচালক রজত শুভ্র সরকারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি প্রশিক্ষণ, অনুদান বা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বণ্টনের ক্ষেত্রে ধর্ম, বর্ণ বা রাজনৈতিক পরিচয় নয়; নির্ধারিত নীতিমালা, স্বচ্ছতা ও যোগ্যতাই একমাত্র বিবেচ্য হওয়া উচিত। তাই উদ্ভূত বিতর্ক নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ব্যাখ্যা প্রদান এবং প্রয়োজনে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া জনআস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।